যশোর জেলার জন্য বিখ্যাত বিষয়সমূহ। ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য- যশোর বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার আলোকবর্তিকা মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান, যিনি বাংলা সাহিত্যের একজন মহান কবি ও নাট্যকার[3][6]। এছাড়া চাঁচড়া জমিদার বাড়ি, কালেক্টরেট ভবন, শতাব্দী প্রাচীন যশোর পৌরসভা, রামনারায়ন পাবলিক লাইব্রেরী ইত্যাদি ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে[3][4][6]।
দর্শনীয় স্থান - যশোরে জেস গার্ডেন পার্ক, মধুসূদন দত্তের বাড়ি, গদখালী ফুলের বাগান, যশোর আইটি পার্ক, চাঁচড়া জমিদার বাড়ি ইত্যাদি দর্শনীয় স্থান রয়েছে[1][4][5][6]।
বিখ্যাত খাবার -যশোরের দুধ কাঁঠাল, ছাক্কা, চুই ঝালের মাংস, হকদানা, ঘাটকোল, জলভরা ইত্যাদি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় খাবার[5]।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব- যশোর মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলা হিসেবে পরিচিত এবং এটি বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জনপদ[5]।
প্রসিদ্ধ ব্যক্তি- মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কর্মবীর মুন্সী মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ, রায় বাহাদুর যদুনাথ মজুমদার, জ্যোতিষ্ক বিজ্ঞানী রাধাগোবিন্দ চন্দসহ অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব যশোরের[2][8]।
সারমর্মে, যশোর তার ঐতিহাসিক স্থাপনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বিশেষত মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত[2][3][5][6]।
যশোরকে ফুলের রাজধানী বলা হয় কারণ জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী-পানিসারা এলাকায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়, যার মধ্যে গদখালীতে সাড়ে পাঁচ হাজার কৃষক ছয় হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের আবাদ করছেন[1]। এই এলাকায় উৎপাদিত ফুল দিয়ে দেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ফুল সরবরাহ করা হয়[1]। গদখালী এলাকা নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি করে[4]। তাই যশোরের গদখালীকে ফুলের রাজধানী বলা হয়[4][6]।
গদখালীর ফুলের বাজার এত বিশাল ও জনপ্রিয় হওয়ার কারণগুলো হলো:
গদখালী দেশের সবচেয়ে বড় ফুলের বাজার, যেখানে প্রতিবছর ৬৩০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৭২ প্রজাতির ফুল চাষ হয়[2]।
এই অঞ্চলের ফুল উৎপাদন দেশের মোট ফুলের চাহিদার প্রায় ৬০-৭০% সরবরাহ করে, যা লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে[2][5]।
বিশেষ করে গোলাপ ও জারবেরা ফুলের চাহিদা বেশি থাকে, এবং পাইকারি বাজারে ফুলের দাম তুলনামূলক বেশি, যা চাষিদের লাভবান করে[1]।
গদখালী ফুলের অর্থনীতিতে নতুন নতুন জাতের ফুল চাষ ও বাজারজাতকরণ চালু হওয়ায় ফুলের ব্যবসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে[4]।
বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস, বিজয় দিবসের মতো উৎসবের আগে ফুলের চাহিদা বেড়ে যায়, ফলে বাজার চাঙ্গা হয় এবং ফুলের বিক্রি শত কোটি টাকারও বেশি হয়[3][6][5]।
ফুলের ব্যবসার সাথে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত অনেক মানুষ থাকায় এটি একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক কেন্দ্র[7]।
এসব কারণে গদখালীর ফুলের বাজার দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
কাজীআরিফুল একটি ফুলস্ট্যাক ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি এবং ফ্রিল্যান্সিং ইনস্টিটিউট। কাজীআরিফুল ফ্রিল্যান্সিং শিখুন আর ফেসবুক পেজে থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
কাজীআরিফুল ডট কমে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url